সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে শুরু হওয়া এই সংঘাতে পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। পশ্চিমা দেশগুলোতে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে রাশিয়া এমন পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না।
পশ্চিমা দেশগুলোর দেওয়া দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেন গত মঙ্গলবার এবং বুধবার রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলা চালায়। এর পাল্টা হিসেবে বৃহস্পতিবার রাশিয়া ইউক্রেনের নিপ্রো এলাকায় নতুন প্রজন্মের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালায়।
রাশিয়ার দাবি, এই ক্ষেপণাস্ত্র পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। আসন্ন শীত মৌসুম সামনে রেখে ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, দোনেৎস্ক অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ দালনে গ্রাম তারা দখল করেছে। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পাচ্ছে রুশ বাহিনী।
রাশিয়ার নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সত্ত্বেও সংঘাতের ধরনে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলে জানিয়েছেন ন্যাটোর মুখপাত্র ফারাহ দাখলাল্লাহ। তিনি বলেন, রাশিয়া সাধারণ নাগরিকদের ভয় দেখাতে এবং ইউক্রেনের মিত্রদের মনোবল ভাঙতে এই ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করছে। তবে ন্যাটো মিত্ররা ইউক্রেনকে সমর্থন দেওয়া থেকে পিছু হটবে না।
এর মধ্যেই রাশিয়া গত মার্চ থেকে উত্তর কোরিয়াকে ১০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল সরবরাহ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘ওপেন সোর্স সেন্টার’ স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

