যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার শপথ গ্রহণের প্রথম দিনেই মেক্সিকো, কানাডা এবং চীনের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, মেক্সিকো ও কানাডা থেকে আমদানি করা সব পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ এবং চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন তিনি।
সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে এই ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “মেক্সিকো এবং কানাডা যতক্ষণ পর্যন্ত মাদক পাচার এবং অবৈধ অভিবাসন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত শুল্ক বহাল থাকবে।”
চীনের বিষয়ে ট্রাম্প জানান, দেশটি যতদিন সিনথেটিক ওপিওড ফেন্টানিলের পাচার বন্ধ করতে না পারবে, ততদিন তাদের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য অনুযায়ী, ফেন্টানিল মাদক ব্যবহারের কারণে গত বছর দেশটিতে ৭৫,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, চীনা কর্মকর্তারা ফেন্টানিল পাচার বন্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা পালন করেননি। চীনের ওয়াশিংটন দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেছেন, “বাণিজ্য যুদ্ধ বা শুল্ক আরোপের মাধ্যমে কেউই জয়ী হবে না।”
নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প বলেছিলেন, প্রয়োজন হলে মেক্সিকো ও চীনের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করবেন। শপথের প্রথম দিন থেকেই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কার্যকর হতে চলেছেন তিনি।
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ট্রাম্প মনে করেন, “মেক্সিকো এবং কানাডার হাতে সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা রয়েছে, এবং এখন সময় এসেছে তাদের জন্য বড় মূল্য চুকানোর।”
এই শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা বাণিজ্য চুক্তি (USMCA) এবং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক সম্পর্ককে কীভাবে প্রভাবিত করবে, তা দেখার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়ে

