মৃত্যুর সময় কালেমা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ” পাঠ করা সৌভাগ্যের লক্ষণ। এটি তারাই উচ্চারণ করতে পারে, যারা জীবনে এই কালেমার মর্ম হৃদয়ঙ্গম করে। এর প্রতি বিশ্বাস রেখে জীবনযাপনকারী ব্যক্তির অন্তর নম্র হয়, শিরক ও সংশয় থেকে মুক্ত হয় এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর দিকে ধাবিত হয়।
কালেমায় বিশ্বাসী ব্যক্তি তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডে আল্লাহমুখী থাকে। গাইরুল্লাহর প্রতি তার আসক্তি দূর হয়, দুনিয়ার মোহ তাকে গ্রাস করতে পারে না। পরকালই তার জীবনের লক্ষ্য হয়। তার অন্তর ও বাহিরে আল্লাহর আনুগত্যের ছাপ দেখা যায়।
কিন্তু যারা কালেমা কেবল মুখে বলে অথচ অন্তরে দুনিয়ার মোহ ও কুপ্রবৃত্তির আকাঙ্ক্ষা লালন করে, তাদের জন্য এই পবিত্র কালেমার গুরুত্ব উপলব্ধি করা কঠিন। মৃত্যুর সময় কালেমা উচ্চারণ নসিব হতে হলে, দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করে আল্লাহমুখী জীবনযাপন করতে হবে।
যারা সত্যিকার অর্থে কালেমার মর্ম অনুধাবন করে, তারা মৃত্যুর সময় এ সাক্ষ্য দিয়ে আল্লাহর কাছে উপস্থিত হয়। তাদের জন্য এই কালেমা পাপমুক্তি এবং অনন্ত শান্তির দরজা উন্মুক্ত করে।

