কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার রেকর্ড ৩০ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এর আগে এত বিপুল পরিমাণ টাকা কখনো মসজিদের দানবাক্স থেকে পাওয়া যায়নি। শনিবার (৩ মাস ১৪ দিন পর) সকাল ৭টায় দানবাক্সগুলো খোলা হয়।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মিজাবে রহমত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১২টি দানবাক্স ও একটি লোহার সিন্দুক খুলে এই বিপুল পরিমাণ টাকা পাওয়া গেছে। বর্তমানে এগুলোর গণনার কাজ চলছে।
টাকা গণনার এ কার্যক্রমে জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় নিরাপত্তার জন্য সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়।
পাগলা মসজিদ কিশোরগঞ্জের অন্যতম আলোচিত ধর্মীয় স্থাপনা। প্রতি তিন থেকে চার মাস পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়। মসজিদের উন্নয়ন কার্যক্রম, ধর্মীয় কর্মকাণ্ড এবং জনকল্যাণে এই অর্থ ব্যয় করা হয়।
পাগলা মসজিদে দেশ-বিদেশ থেকে মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা এসে দান করেন। দানের মধ্যে নগদ টাকা ছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার, বৈদেশিক মুদ্রা এবং অন্যান্য সামগ্রী পাওয়া যায়। এবার প্রাপ্ত ৩০ বস্তা টাকার পরিমাণ এবং মূল্য গণনা শেষে জানা যাবে।
এই দানের টাকা ব্যবস্থাপনায় মসজিদ কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছতা এবং নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ সতর্কতা দেখা যায়। এটি শুধু ধর্মীয় নয়, কিশোরগঞ্জবাসীর জন্য এক গর্বের বিষয়।

