বাংলাবান্ধা দিয়ে নেপালে গেল আরো ১০৫ মেট্রিক টন আলু

0
88
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে নেপালে আরো ১০৫ মেট্রিক টন আলু রপ্তানি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত এ স্থলবন্দর দিয়ে ১ হাজার ৩৪৪ মেট্রিক টন আলু নেপালে রপ্তানি হয়েছে।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের কোয়ারেনটাইন ইন্সপেক্টর উজ্জল হোসেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে পাঁচটি গাড়িতে করে ১০৫ মেট্রিক টন আলু নেপালে পাঠানো হয়। প্রতিটি গাড়িতে ছিল ২১ মেট্রিক টন আলু। এসব আলু রপ্তানি করেছে থিংকস টু সাপ্লাই নামের একটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান।

ভৌগলিক অবস্থানগত দিক থেকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা। ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে ট্রানজিট সুবিধা থাকায় ব্যবসা ও পর্যটনের ক্ষেত্রে ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি করেছে স্থলবন্দরটি। এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি করা পণ্যের ৯৫ শতাংশই পাথর হলেও বাংলাদেশ থেকে আরো কয়েক ধরনের পণ্য রপ্তানি করা হয় ভারত ও নেপালে।

বাংলাবান্ধা বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারত ও নেপালে পাট, ওষুধ, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস পণ্য, জুস, ব্যাটারিসহ নানা ধরনের পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। অপরদিকে, মসুর ডাল, গম, ভুট্টা, যন্ত্রপাতি, প্লাস্টিক দানা, রেললাইনের স্লিপার, খইল, আদা ও চিটাগুড় আমদানি করা হয় এ বন্দর দিয়ে।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের কোয়ারেনটাইন ইন্সপেক্টর উজ্জল হোসেন জানিয়েছেন, নেপালে রপ্তানির আগে আলুগুলো পরীক্ষা করা হয়েছে।

১৯৯৭ সালে নেপালের সঙ্গে এক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে প্রথম আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়। ২০১১ সালে ভারতের সঙ্গে ও ২০১৭ সালে ভুটানের সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here