মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির সামরিক বাহিনীর ‘জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ’- এর প্রধান এয়ারফোর্স জেনারেল সি. কিউ. ব্রাউনকে বরখাস্ত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি আরও চারজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা বরখাস্ত করেছেন। যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নেতৃত্বে এক নজিরবিহীন রদবদলের ঘটনা দেখল বিশ্ববাসী।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ পোস্ট করে জানান, তিনি অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ড্যান রাজিন কেইনকে ব্রাউনের স্থলাভিষিক্ত করার জন্য মনোনয়ন দিবেন। মার্কিন সামরিক ইতিহাসে এই প্রথমবার অবসরপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তাকে শীর্ষ সামরিক পদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।
এ ছাড়াও ট্রাম্প মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল লিসা ফ্রাঙ্কচেট্টিকে সরিয়ে দিয়েছেন, যিনি ছিলেন সামরিক শাখার প্রথম নারী প্রধান। একই সঙ্গে বিমানবাহিনীর ভাইস চিফ অব স্টাফ এবং সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর জেনারেলদেরও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে পেন্টাগনে এক বিশাল পরিবর্তনের সূচনা করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন আগে থেকেই বলে আসছে, তারা অসংখ্য বেসামরিক কর্মী ছাঁটাই, বাজেট পুনর্গঠন এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ পররাষ্ট্র নীতির আওতায় সামরিক কর্মকর্তাদের রদবদল নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করেছে।
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছে। ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি সেথ মৌলটন এই পদক্ষেপকে ‘অগণতান্ত্রিক, অপ্রজাতান্ত্রিক ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি’ বলে অভিহিত করেছেন।
সূত্র: রয়টার্স

