নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে শামসুন্নাহার চৈতি নামে এক গার্মেন্টস শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।ওই নারী শ্রমিকের শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্লেড দিয়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে আড়াইহাজার থানা পুলিশ জানায়। ঘটনার পর থেকে চৈতির স্বামী সাইফুল ইসলাম পলাতক। তিনিই স্ত্রীকে নির্যাতনের পর ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করেছেন বলে পুলিশের ধারণা।
নিহত শামসুন্নাহার চৈতি ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানাধীন হাড়িয়াগাই এলাকার সামসুউদ্দিন মিয়ার মেয়ে। তার স্বামী সাইফুল ইসলামের বাড়িও একই এলাকায়।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপ্তারা ইউনিয়নের কালিবাড়ী এলাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায় কর্মরত ছিলেন চৈতি। একই এলাকার মাসুম মিয়ার বাড়িতে স্বামীকে নিয়ে ভাড়ায় থাকতেন। রবিবার ভোররাতে অন্য ভাড়াটিয়ারা ঘরে চৈতির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তারা বিষয়টি বাড়ির মালিক মাসুমকে জানালে তিনি আড়াইহাজার থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
প্রতিবেশী ও শ্রমিকরা জানিয়েছে, অনৈতিক সম্পর্কের জের ধরে সাইফুলের সঙ্গে চৈতির বেশ কিছুদিন ধরে সমস্যা দেখা দেয়। এ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি হতো দুজনের মধ্যে।
এ বিষয়ে ওসি এনায়েত হোসেন জানান, নিহত নারীর শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্লেড জাতীয় জিনিস দিয়ে কাটার চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে দৈহিক নির্যাতনের পর ঘুমের ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছিল। মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন আসলে মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

