সিলেটের চা–শ্রমিকদের ১১ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

(২৪ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ‘চা–শ্রমিক ও চা–বাগান রক্ষা কমিটির’ ব্যানারে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বেলা দেড়টার দিকে বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে।

0
107
ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের চা–শ্রমিকেরা বকেয়া মজুরি, রেশন পরিশোধসহ ১১ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। সোমবার (২৪ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ‘চা–শ্রমিক ও চা–বাগান রক্ষা কমিটির’ ব্যানারে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বেলা দেড়টার দিকে বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে।

এই কর্মসূচিতে সিলেটের ২২টি বাগানের চা–শ্রমিক ও নেতারা অংশ নেন। শ্রমিকরা জানান, টানা ১৩ সপ্তাহ ধরে তারা মজুরি ও রেশন পাচ্ছেন না। বেতন–ভাতার দাবিতে তারা একাধিকবার বিভিন্ন দপ্তরে জানালেও কেউ কোনো পদক্ষেপ নেয় নি।

চা শ্রমিকদের দাবি, দ্রুত বাগান সরদারদের মাসিক বেতন প্রদান, সাপ্তাহিক রেশন চালু, বাগানের মাসিক বেতনভুক্ত শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ, কর্তনকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা জমা দেওয়া, চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহ, শ্রমিকদের বসতবাড়ি নির্মাণ, টিন-কাঠ-জানালা-দরজা প্রদান, বকেয়া বোনাস পরিশোধ, আইন অনুযায়ী খাবার পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং চা–বাগানের অবসরে থাকা শ্রমিকদের ফান্ডের টাকা প্রদান করা।

সমাবেশে চা-শ্রমিক ও চা-বাগান রক্ষা কমিটির নেতারা বলেন, মজুরি না পাওয়ায় শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পরিবারের সদস্যদের জন্য তিনবেলা খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় যদি শ্রমিকরা কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হন, তবে তার দায়ভার মালিকপক্ষকেই নিতে হবে।

এই সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি। এছাড়াও, চা-শ্রমিক ইউনিয়ন সিলেট ভ্যালির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং চা-বাগান পঞ্চায়েত কমিটির। এই সময় শ্রমিকদের মজুরি প্রদান করে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি সুরাহা করার আহ্বান জানান তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here