দৌলতদিয়ায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই ভোগান্তি

0
68
ছবি: সংগৃহীত

পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট হয়ে কর্মস্থলে ফিরছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ। বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব‌্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন জানান, শুক্রবার সকাল থেকে ঘাটে যাত্রীদের ভিড় ও যানবাহনের চাপ দেখা গেছে। তবে ভোগান্তি না থাকায় নির্বিঘ্নে পার হতে পারছে মানুষ ও যানবাহন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ বাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইলে করে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আসছে। ঘাট এলাকায় যানজট না থাকায় সরাসরি ফেরিতে উঠে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট হয়ে ঢাকায় চলে যাচ্ছেন তারা।

কুষ্টিয়া থেকে আসা ইয়াছিন মোল্লা বলেন, “ঈদের আগে বাড়িতে ফেরার সময় মহাসড়কে ও ফেরিঘাটে কোনো ভোগান্তি ছিলো না। ফেরার সময়ও একই অবস্থা। আমরা স্বস্তিতেই ফিরছি।”

মেহেরপুর থেকে আসা শরিফুল ইসলাম বলেন, “বিগত ১০ বছরের মধ্যে এবারের ঈদযাত্রা সবথেকে ভালো ছিল। সড়কে বলেন, আর ফেরিঘাটে বলেন কোথাও ভোগান্তি নাই। এমন পরিস্থিতি থাকায় আমরা খুবই খুশি।”

রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা সপ্তবর্ণা পরিবহনের যাত্রী হাসি খাতুন বলছিলেন, “গত সাত বছর ধরে আমি ঢাকাতে থাকি। প্রতি ঈদেই বাড়িতে আসি। ঈদ শেষে আবার ঢাকাতে ফিরতে হয়। এই সাত বছরের মধ্যে এবারই এত ভালোভাবে যাতায়াত করতে পারছি। খুব ভালো লাগছে ভোগান্তিহীন ঈদ যাত্রা পেয়ে।”

দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাড়ির ওসি মো. এনামুল বলেন, “আমরা যাত্রীদের নিরাপত্তায় সজাগ আছি। দিনে-রাতে টহল অব‌্যহত রেখেছি। ফেরিতে যাত্রীরা যেন ছিনতাই বা হয়রানির শিকার না হয় সেদিকেও আমরা নজরদারিতে রেখেছি।”

বিআইডব্লিউটিসি কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন বলেন, এই নৌরুটে ছোট বড় মিলে ১৭টি ফেরি রয়েছে। সকাল থেকে ১০টি ফেরি দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। চাপ বাড়লে ফেরির সংখ‌্যাও বাড়ানো হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here