শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মাটির গভীর কূয়া খনন করতে গিয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।নিহত নারায়ণ কোচ (৪৫) ওই এলাকার ভুইয়াবাড়ীর নীল মহন কোচের ছেলে। আর নারায়ণ কোচ রাংটিয়ার নীপুরাম কোচের ছেলে। তারা পরস্পর ভায়রা ভাই।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে নারায়ন কোচ তার বাড়ীতে পানি সরবরাহের জন্য মাটির একটি গভীর কূয়া খনন করতে যান। রোববার কূয়া খননের শেষ দিন। তাই কূয়া খনন শেষে কূয়ার নীচে কিছু ময়লা আবর্জনা থাকায় ওইসব ময়লা পরিস্কারের জন্য প্রথমে নারায়ন কোচ বাঁশ দ্বারা নিচে নামে। এসময় কূয়ার গভীরে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকায় নারায়ন কোচ জ্ঞান হারিয়ে সেখানেই লুটিয়ে পড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে একই কায়দায় নিরঞ্জন কোচও জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এদিকে, খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উভয়কে কূয়া থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

এলাকাবাসী জানান, কূয়াটিতে সিমেন্টের তৈরি মোট ২৪টি রিং নামানো হয়। যা প্রতিটা ১ফিট করে। অর্থাৎ কূযাটির গভীরতা ছিলো প্রায ২৫ফিট। ইতোমধ্যে কূয়াতে পানি উঠতে শুরু করেছে।
ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল আমিন বলেন, কূয়ার গভীরে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকায় তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে পরবর্তী যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

