বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, আমি এখানে আসার আগে অনেক শ্রদ্ধেয় নেতা আমাকে অনুরোধ করেছেন- সংস্কারের পক্ষে কথা বলার জন্য। আমি কখনও সংস্কারের বিপক্ষে ছিলাম না। আমি শুধু বলেছি, যারা সংস্কারের বিপক্ষে ছিলেন, তারা আজ কথা বলেন না কেন?
তিনি বলেন, অনেকে বলেন ১৭ বছর ধরে আপনারা কি করেছেন? আরে ১৭ বছর আমরা গাছের গোড়ায় পানি দিয়ে গোড়া নরম করেছি, যে গাছের মাথায় বসে আপনার ফল খেয়েছেন। দুই দিনের আন্দোলনে শেখ হাসিনা যায়নি। এটা যারা বলেন, তারা মিথ্যার সাগরে বসবাস করেন। বিএনপিকে ক্রেডিট দিতে চান না।
তিনি আরও বলেন, কেউ একা-একা ক্রেডিট নিতে গিয়ে দেশকে বিপদে ফেলবেন না। সামনে দেশের দুর্দিন কিন্তু মারাত্মকভাবে এগিয়ে আসছে।
মির্জা আব্বাস বলেন, ফ্যাসিস্ট তাড়াতে গিয়ে গিয়ে নিজেরাই ফ্যাসিষ্ট হয়ে যাচ্ছি কিনা সেটা খেয়াল রাখতে হবে। এখানে আমরা বলতে শুধু বিএনপিকে বুঝায়নি, সবাইকে বলছি।
সরকারকে উদ্দেশ্যে করে তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট অনেক গোপন চুক্তি করতো, সেগুলো আমাদের বলতো না। এখন অন্তর্বর্তী সরকার বলেন, একটা চুক্তি হয়েছে, মানবিক করিডোর দেওয়ার জন্য। কিন্তু ৭টি শর্ত রয়েছে- সেগুলো বলা যাবে না, কেন ভাই, আমরা কি ভেসে এসেছি নাকি? মানবিক করিডোর দিতে গিয়ে দেশটাকে বিপদে ফেলবেন না। কারণ আফগানিস্তানকে মানবিক করিডোর দিতে গিয়ে পাকিস্তান এখনো দুর্ভোগে ভুগছে।
যেটা বাংলাদেশের প্রয়োজন নেই, সেটির চুক্তি প্রয়োজন নেই, দেশের জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোকে পাশ কাটিয়ে সেই করতে চাইলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে, এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন মির্জা আব্বাস।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, সংস্কার কমিশনে বিএনপি যেগুলো সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে, তা নির্বাচনের আগে আইন করে বাস্তবায়ন করতে হবে। এগুলো বাস্তবায়ন হলেই কোনো সমস্যা থাকবে না।

