পোস্টার লাগানো নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের আব্বাছনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

0
84

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির এক পক্ষের হামলায় অন্য পক্ষের একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৬ থেকে ৭ জন। সেই সঙ্গে বসতবাড়ি ভাংচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের আব্বাছনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

নিহত ব্যক্তির নাম শফিকুল ইসলাম (৪২)। তিনি আব্বাছনগর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কাঠের কাঠের মিলে কাজ করতেন। অপরদিকে আহতরা হলেন আলমগীর হোসেন, সৌরভ, শাকিল, লালচান মিয়া, কালা চানসহ আরও অনেকে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হামিদুর রহমান (রাশেদ) আসন্ন ঈদ উপলক্ষে দুর্গাপুরে শুভেচ্ছা পোস্টার ও ছোট ছোট বিলবোর্ড লাগানো শুরু করেছেন। তার কর্মী-সমর্থকরা গতকাল দুপুরে দুর্গাপুর বাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগাতে যান। এক পর্যায়ে পুলিশ মোড় এলাকায় বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে অপরপক্ষের লোকজন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন এতে বাধা দেন। পরে তার নেতৃত্বে রাত সাড়ে ৮টার দিকে একদল লোক আব্বাছনগর গ্রামে গিয়ে হামিদুর রহমানের গ্রামের বাড়িতে হামলা চালান। এ হামলায় হামিদুর রহমানের ভাতিজা শফিকুল ইসলাম নিহত হন। এ সময় আরও ৬ থেকে ৭ জন আহত হন।

নিহত ব্যক্তির স্বজনদের দাবি, জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। এক পর্যায়ে তারা গুলি ছোড়েন। শফিকুল গুলিবিদ্ধ ও মারধরে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এ ব্যাপারে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘গুলির ঘটনা ঘটেছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টি তদন্তাধীন আছে। নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন ও হামলায় জড়িত যাদের তথ্য পাওয়া গেছে, ওই ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here