পঞ্চগড়ে প্রথমবারের মতো সাফ এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের খেলা বড় পর্দায় উপভোগ

মঙ্গলবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় তেঁতুলিয়া উপজেলা সদরের সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তেঁতুলিয়া টাইটান্স ক্লাবের আয়োজনে বড় পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হয়। খেলা দেখতে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছোট-বড় নানা বয়সী মানুষ জড়ো হন মাঠে। সন্ধ্যার পর থেকেই দর্শকদের ঢল নামে মাঠে, মুহূর্তে যেন মিলনমেলায় পরিণত হয় বিদ্যালয় চত্বর।

0
96

পঞ্চগড়ে প্রথমবারের মতো সাফ এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ফুটবল ম্যাচ বড় পর্দায় সরাসরি দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে ম্যাচ প্রদর্শনের আয়োজন হলেও তেঁতুলিয়ায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। বিভিন্ন বয়সী ফুটবলপ্রেমীরা উপভোগ করেছেন প্রতীক্ষিত এই ম্যাচ।

মঙ্গলবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় তেঁতুলিয়া উপজেলা সদরের সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তেঁতুলিয়া টাইটান্স ক্লাবের আয়োজনে বড় পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হয়। খেলা দেখতে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছোট-বড় নানা বয়সী মানুষ জড়ো হন মাঠে। সন্ধ্যার পর থেকেই দর্শকদের ঢল নামে মাঠে, মুহূর্তে যেন মিলনমেলায় পরিণত হয় বিদ্যালয় চত্বর।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিশ্বকাপ ফুটবলের সময় বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজন পূর্বেও হয়েছে, তবে জাতীয় দলের ম্যাচকে কেন্দ্র করে এমন বড় আয়োজন এর আগে কখনো দেখা যায়নি।

তেঁতুলিয়া টাইটান্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ সুমন বলেন,“আমরা চাই গ্রামের মানুষও যেন দেশের খেলার আনন্দে শরিক হতে পারে। তেঁতুলিয়ার মানুষ ফুটবল ভালোবাসে—সেই ভালোবাসার জায়গা থেকেই এই আয়োজন।”

দর্শক রাসেল হাসান বলেন,“এখানে পরিবার-পরিজনসহ সবাই এসে খেলা দেখছে, এটা আমাদের গ্রামের জন্য গর্বের। আগে কখনো জাতীয় দলের ম্যাচ এভাবে দেখিনি।”

আরিফুল ইসলাম নামের আরেক দর্শক বলেন,
“খেলার সময় মাঠে থাকা অনুভূতি একেবারে ভিন্ন। সবাই একসাথে চিৎকার করছে, হাততালি দিচ্ছে—মনে হচ্ছে যেন স্টেডিয়ামেই আছি।”

শিশু ফাহিম হাসান জানায়, সে তার বাবার সঙ্গে খেলা দেখতে এসেছে। তার চোখে মুখে ছিল উচ্ছ্বাস ও আনন্দের ঝিলিক।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও জাতীয় দলের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় পর্দায় দেখানোর চেষ্টা করবেন তারা। এতে শুধু খেলার আনন্দই নয়, নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম ও খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়বে বলেও জানান তারা।

এলাকাবাসী মনে করছেন, এমন আয়োজন শুধু বিনোদনেরই নয়, সামাজিক বন্ধনেরও বড় মাধ্যম হতে পারে। দেশের প্রতিনিধিত্বমূলক আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো স্থানীয় পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে সর্বস্তরের মানুষের কাছে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here