হরিরামপুরের ঝিটকা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দোকান পুরে ছাই, ক্ষয়ক্ষতি কোটি টাকা

বুধবার (১১ জুন) সকালে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ভয়াবহতা এতটাই ছিল যে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা ছাড়া এটি নেভানো সম্ভব হয়নি।

0
117

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা বাজারে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত ও আরো কয়েকটি দোকান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বুধবার (১১ জুন) সকালে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ভয়াবহতা এতটাই ছিল যে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা ছাড়া এটি নেভানো সম্ভব হয়নি।

পরে আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে আসলে স্থানীয়দের নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে ৩টি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় আরও ৩টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে ফার্মেসী, জুতা, পোশাক, সেলুন ও মোবাইলের দোকান ছিল। ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা বলেন, আমাদের সব দোকান মালামালে ভরপুর ছিল। দোকান ও মালামাল মিলে কয়েক কোটি টাকার ওপরে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে গেলাম। আমাদের পুঁজি ও জীবনের সবকিছুই আগুনে পুড়ে গেছে।

এদিকে ভয়াবহ এ আগুনে পুরো ঝিটকা বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত পুনর্বাসন সহায়তা পাওয়ার আশায় রয়েছেন। অন্যদিকে স্থানীয়রা কার্যকর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স লিডার মো. সোলাইমান মিয়া জানান, আমরা খবর পেয়েই তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে যাই এবং ৯.৫০ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি। আগুনে ৩টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত ও আরো কয়টি দোকান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় জনগণ ও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপের ফলে আরও বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here