থাইল্যান্ডে সীমান্ত এলাকার এক লাখেরও বেশি মানুষ ঘর ছেড়েছে। কম্বোডিয়ার সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের কারণে সীমান্ত এলাকার এসব মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশটির সরকারের বরাত দিয়ে শুক্রবার ব্যাংকক পোস্ট এ তথ্য দিয়েছে।
কম্বোডিয়ার সঙ্গে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১৪ জন নিহত হয়েছে। যার মধ্যে ১৩ জনই বেসামরিক নাগরিক। এদিকে কম্বোডিয়াও সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় দেড় হাজার পরিবার সীমান্ত এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়েছে।
সীমান্ত নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ গত সপ্তাহে তীব্র লড়াইয়ে রূপ নেয়। থাইল্যান্ড এরইমধ্যে সীমান্ত এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি ট্যাংক, গোলাবারুদ মজুদ করেছে।
সীমান্ত এলাকার মানুষের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে থাইল্যান্ড। সীমান্তবর্তী চারটি প্রদেশ থেকে এক লাখেরও বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এসব মানুষকে ৩০০টি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। শুক্রবার সকালে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। তখনও সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ ঘর ছেড়ে নিরাপদে যাচ্ছিল।
বার্তাসংস্থা এএফপিকে প্রো বাক নামে ৪১ বছর বয়সী ব্যক্তি বলেন, ‘আমি সীমান্তের একেবারে কাছাকাছি থাকি। আমরা ভীত, কারণ সকাল ৬টার দিকে আবার গুলি ছোড়া শুরু হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আবার কবে বাড়ি ফিরব জানি না।’
এদিকে সংঘর্ষে কম্বোডিয়ার একজন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। সীমান্তবর্তী আমপিল এলাকা থেকে প্রায় দেড় হাজার পরিবারকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কম্বোডিয়ার সরকার।

