রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গত রবিবার পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে সারাদেশে চলমান বিশেষ অভিযানে আরও ১ হাজার ৫৯৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ডিএমপি ও পুলিশ সদর দপ্তর থেকে গতকাল সোমবার পাঠানো পৃথক অভিযানে এসব তথ্য জানানো হয়।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, রাজধানীতে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা হলেন- ঢাকা কদমতলী থানার ৫৮, ৫৯ ও ৬০ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুলতানা আহমেদ লিপি, আওয়ামী লীগের গাইবান্ধা সদর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্যের এপিএস শাহ মুহাম্মদ সবুর হোসেন, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানার ৭ নম্বর পবনাপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ বিপুল খন্দকার ওরফে বদি, অনলাইন আওয়ামী লীগ ব্লগার ও অ্যাক্টিভিস্ট কামাল পাশা চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. সোহাগ মিয়া ওরফে মির্জা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানা আওয়ামী লীগের বারনটেক ইউনিটের সহসভাপতি মো. মতলব মুন্সী, কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার ৪ নম্বর সুবিল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রমিজ উদ্দিন সরকার, বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. আইয়ুব আলী তরফদার, বংশাল থানা যুবলীগের সহসভাপতি সাইদুর রহমান টিটু, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আমানউল্লা হোসেন ওরফে অপু ও ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহসভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার করা ১ হাজার ৫৯৩ জনের মধ্যে বিভিন্ন মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রয়েছেন ১ হাজার ৫ জন এবং অন্য ঘটনায় রয়েছেন ৫৮৮ জন। পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এএইচএম শাহাদাৎ হোসাইন জানান, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক, তিন রাউন্ড কার্তুজ এবং দেশীয় তৈরি একটি হাঁসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে।

