বাজার স্থিতিশীল রাখতে চাল আমদানি হচ্ছে: খাদ্য উপদেষ্টা

0
42

খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, ‘দেশে চাহিদার চেয়ে এক কোটি মেট্রিক টন খাদ্য বেশি উৎপাদন হয়েছে। তারপরও বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য চাল আমদানি করা হচ্ছে। সরকার প্রতি কেজি চাল উৎপাদনে ২০ থেকে ২৫ টাকা ভর্তুকি দিয়ে থাকে।’

বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুর সার্কিট হাউসে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠিত এই সভায় রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, আট জেলার জেলা প্রশাসক, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং আট জেলার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকরা অংশগ্রহণ করেন।

উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, যারা লাইসেন্স বিহীন ভাবে খাদ্যশস্য মজুদ করবে অথবা লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লাইসেন্সে স্পষ্ট উল্লেখ থাকে কতদিন ও কত পরিমাণ খাদ্যশস্য মজুদ রাখা যাবে। যদি কেউ এ বিষয়ে অনিয়ম করে তবে তাদের ধরা হবে এবং শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চাল শুধু মানুষই খায় না, গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি, এমনকি মাছের খাবার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ চালের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। ফলে বাজারে চালের চাহিদা সবসময়ই থাকে। যারা চাল আমদানি করছে তারা অবশ্যই লাভের সম্ভাবনা দেখেই আনছে। মার্কেটের তুলনায় লাভ না থাকলে তারা কখনো চাল আনতো না। তাই এখানে চাহিদা স্পষ্ট।

উপদেষ্টা বলেন, ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশে ৫৫ লাখ মানুষ ৬ মাস ৩০ কেজি করে চাল পাবেন। যার মধ্যে সাড়ে ৯ লাখ মানুষ রংপুর বিভাগের। এটা বিতরণে বড় ধরনের কোনো সমস্যা নেই। আমরা এবার সবচেয়ে বেশি ধান চাল সংগ্রহ করেছি। দিনাজপুরেও সংগ্রহ শতভাগ হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম এনডিসি, এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

সভায় চলমান খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির অগ্রগতি, খাদ্যশস্যের বাজার পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here