ইরানের নৌবাহিনী সমুদ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে। দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ‘নাসির’ ও ‘গাদির’ এবং মাঝারি পাল্লার জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ‘কাদের’ ব্যবহার করে এই নৌ মহড়ার পর্যায়ে লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করা হয়েছে।
মহড়ার ‘ইকতেদার ১৪০৪’ বা ‘সাসটেইনেবল পাওয়ার ১৪০৪’ সামরিক মহড়ার মূল ধাপে বিভিন্ন ধরনের নৌ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। ভূপৃষ্ঠ ও জাহাজ থেকে নিক্ষেপিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উত্তর ভারত মহাসাগর, ওমান সাগর এবং উপকূলীয় লক্ষ্যবস্তুকে সঠিকভাবে আঘাত করেছে।
মহড়ার সময় গাইডেড মিসাইল ক্রুজার ‘জেনেভেহ’ এবং ‘সাবালান’ ডেস্ট্রয়ার একসঙ্গে ‘নাসির’, ‘গাদির’ ও ‘কাদের’ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে ‘কাদের’ হলো মাঝারি পাল্লার জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, যা উচ্চ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা এবং লক্ষ্যবস্তুতে সঠিক আঘাত হানার ক্ষমতাসম্পন্ন। এটি জাহাজ এবং উপকূলীয় লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবহৃত হয়।
অপরদিকে, ‘গাদির’ দীর্ঘ পাল্লার রাডার-এড়ানো জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এটি মূলত জাহাজের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।
ইরানি সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) থেকে দুই দিনব্যাপী মহড়ার অপারেশনাল পর্ব শুরু করে। এতে অংশ নেয় ভূপৃষ্ঠ, জাহাজ ও বিমান ইউনিট, উপকূলীয় ও সমুদ্র-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ইউনিট। মহড়া দুই দিনব্যাপী চলবে এবং এর মাধ্যমে ইরানের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শিত হয়েছে।
সূত্র: মেহের নিউজ

