ইব্রাহিমোভিচের হাতে উয়েফা প্রেসিডেন্টস অ্যাওয়ার্ড, যে কারণে এই স্বীকৃতি

0
52

ফ্রান্সের মোনাকোতে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২০২৫-২৬ মৌসুমের লিগপর্বের ড্র। যেখানে বিভিন্ন ক্লাবের পট তুলেছেন সাবেক সুইডিশ তারকা ফরোয়ার্ড জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। এর আগে তার হাতে ‘উয়েফা প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেন সংস্থাটির প্রধান আলেক্সান্ডার সেফরিন। মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের মঞ্চেও রসিক ও বুদ্ধিদীপ্ত ইব্রাকে দেখা গেছে।

১৯৯৮ সাল থেকে প্রতিবছর ‘প্রেসিডেন্টস অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করে আসছে উয়েফা। ফুটবলাঙ্গন ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে নিজের সহ-কার্যক্রমে পরিচিতি অর্জন করা ব্যক্তিদের কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দিতেই এই পুরস্কার। ইউরোপীয় ফুটবলের নতুন মৌসুমের শুরুতে উয়েফা প্রেসিডেন্ট মাঠের ভেতরে–বাইরে পেশাদার উৎকর্ষতা এবং অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বকে এভাবে সম্মান জানিয়ে থাকেন। তারই ধারাবাহিকতায় উয়েফা সভাপতি সেফরিন পুরস্কারটি তুলে দেন ইব্রাহিমোভিচের হাতে।

সাবেক এই তারকা ফুটবলারকে অভিনন্দন জানিয়ে সেফরিন বলেন, ‘জ্লাতানকে সবাই চেনে চূড়ান্ত প্রতিযোগী, জন্মগত বিজয়ী এবং পপ-কালচারের আইকন হিসেবে। তবে সবচেয়ে বড় কথা, তিনি অসাধারণ এক মানুষ, একজন ‘গোল্ডেন বয়’ যিনি কখনও নিজের শেকড় ভুলে যাননি। স্বীকৃতি ছাড়াও নীরবে সহমর্মিতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন, সবসময় প্রয়োজনে থাকা মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এ বছরের পুরস্কার তার হাতে দিতে পেরে আমি ভীষণ গর্বিত।’

নিজের প্রতিক্রিয়ায় ইব্রাহিমোভিচ বলেন, ‘এই পুরস্কার পাওয়া আমার জন্য বড় সম্মানের বিষয়। এজন্য আমি উয়েফা প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার সেফরিনকে ধন্যবাদ জানাই। এর মানে আমি আমার ক্যারিয়ারে কিছু অর্জন করেছি, নইলে এটি পেতাম না। আমি ভীষণ খুশি। আমি সৌভাগ্যবান ছিলাম বড় খেলোয়াড় এবং বড় ক্লাবের সঙ্গে খেলতে পেরেছি। সেটিই আমাকে আজকের আমি করেছে। আমি কৃতজ্ঞ ও ধন্য।’

৪৩ বছর বয়সী সাবেক এই তারকা বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে ৮৬৬ ম্যাচ খেলে ৫১১টি গোল করেন। এ ছাড়া সুইডেন জাতীয় দলের হয়ে ১২২ ম্যাচে ৬২ গোল করেছেন ইব্রাহিমোভিচ। মালমো এফএফের হয়ে ১৯৯৯ সালে শুরু, এরপর ২০০১ সালে আয়াক্স আমস্টারডাম। পরবর্তীতে তিন বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ইন্টার মিলান, পিএসজি ও এসি মিলানের মতো ইউরোপের সব বড় দলের জার্সি গায়ে জড়িয়েছেন। ২০২৩ সালে পেশাদার ফুটবল ছাড়ার আগে প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন ইব্রাহিমোভিচ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here