শিক্ষক নিয়োগের বিধিমালায় আবারও পরিবর্তন

0
56

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের বিধিমালা আবারও পরিবর্তন করা হচ্ছে। সদ্য প্রণীত বিধিমালা সংশোধনের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, নতুন প্রক্রিয়ায় ভাইভার নম্বর অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ১৯তম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, নিয়োগ পরীক্ষায় দুই ধাপ থাকবে— লিখিত পরীক্ষা (নির্বাচনী) ও মৌখিক পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে শূন্য পদের দ্বিগুণ সংখ্যককে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। মৌখিক পরীক্ষার পূর্ণমান থাকবে ২০ এবং উভয় ধাপে পাস করতে ন্যূনতম ৪০% নম্বর পেতে হবে। তবে চূড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরি হবে কেবল লিখিত পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে।

ফল প্রকাশের সময় শূন্য পদের অতিরিক্ত ২০% প্রার্থীর নাম অন্তর্ভুক্ত থাকবে। যারা চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হবেন তারা তিন বছরের জন্য একটি সনদ পাবেন, যা সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

বয়সসীমা ৩৫ বছরই রাখা হয়েছে। তবে বয়স গণনা করা হবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে। অর্থাৎ, সনদ প্রাপ্তির পর বয়স ৩৫ বছর পার হলেও তারা আবেদন করতে পারবেন।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের মতে, নতুন পদ্ধতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে সম্পূর্ণ তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর। এতে আইনি জটিলতা কমবে এবং নিয়োগ কার্যক্রম আরও দ্রুত সম্পন্ন হবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা মনে করছেন, বিসিএস-এর মতো সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ সম্ভব হবে। এতে দীর্ঘদিনের সুপারিশ বা প্রভাবের বাধা দূর হবে বলে তারা আশাবাদী।