নোয়াখালীর নেয়াজপুরে বিএনপি ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৪০ 

0
43

নোয়াখালীর সদর উপজেলার নেয়াজপুর কাসেম বাজারে বিএনপি ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যাতে উভয়পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে কাসেম বাজার জামে মসজিদে একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার মসজিদের ভেতরে ছাত্রশিবিরের একটি কোরআন শিক্ষা কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। এর প্রতিবাদে রোববার আসরের নামাজের পর আবারও কর্মসূচি দেয় ছাত্রশিবির। এসময় মসজিদে থাকা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বাধা দিলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষের সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে ছাত্রশিবিরের ১৬ জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। তাদের মধ্যে নোয়াখালী শহর শিবিরের অফিস সম্পাদক তানভীর সিয়াম, আইন সম্পাদক নাঈম হোসেন এবং কেরামতিয়া মাদরাসার ছাত্রশিবির সভাপতি আরাফাত আলীর নাম জানা গেছে।

অন্যদিকে, বিএনপি নেতাদের দাবি, শিবির কর্মীরা মসজিদের ভেতরে দলীয় স্লোগান দিয়ে কার্যক্রম শুরু করলে তারা বাধা দেন, যার ফলস্বরূপ শিবিরের কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়।

সংঘর্ষে বিএনপির ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে আটজনকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. আক্তার, দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর এবং ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জিয়াউর রহমান।

খবর পেয়ে জেলা শহর থেকে পুলিশের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম জানান, মসজিদের ভেতরে আটকে পড়া শিবির কর্মীদের সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিরাপদে উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে