জনতা ব্যাংক ঋণ আত্মসাৎ মামলায় চার্জশিট অনুমোদন

0
46

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জনতা ব্যাংক থেকে ঋণের নামে ১ হাজার ১৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় ২৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন গতকাল সোমবার এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেন এবং জানান যে শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, জনতা ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারাকাত, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর-২ আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান, জনতা ব্যাংকের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও আব্দুছ ছালাম আজাদ, এননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ বাদল এবং মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন।

এছাড়াও জনতা ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা এই চার্জশিটে আসামি হয়েছেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ভুয়া কাগজপত্রের ভিত্তিতে এননটেক্স গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানকে শর্ত শিথিল করে ঋণ দেওয়া হয়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালজালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করে প্রাথমিকভাবে ৫৩১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন, যা সুদ-আসলে বর্তমানে ১ হাজার ১৩০ কোটি ১৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপপরিচালক মো. নাজমুল হুসাইন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের পরিচালক মো. আবু তালহা, জনতা ব্যাংকের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মো. আব্দুল জব্বার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক সহকারী পরিচালক মোছা. ইসমত আরা বেগমকে চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় চার্জশিট দাখিলের সুপারিশ করা হয়েছে।