জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের সম্ভাব্য সময় জানালেন নির্বাচন কমিশনার

0
31

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য সময়সীমাও উল্লেখ করেছেন।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “ফেব্রুয়ারির সেকেন্ড উইক—৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হলেও অসুবিধা নেই। এক্ষেত্রে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এক-দুদিন পরে কিংবা ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে এক-দুদিন আগেও হতে পারে। অর্থাৎ মাঝামাঝি কোনো সময় হতে পারে।”

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে আগামী ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভাতেই ভোটের দিনসহ সম্পূর্ণ তফসিল নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। আনোয়ারুল ইসলাম জানান, তফসিল ঘোষণার জন্য দু-তিন দিন সময় রেখে বা ১১ ডিসেম্বরের দিকে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

ইসি আগেই জানিয়ে এসেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, একই দিনে দু’টি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় কেন্দ্রের ভেতরে ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হবে।

একই সঙ্গে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হওয়ায় ভোটগ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা করছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা ভোটগ্রহণ চলে।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, “এখন সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, সেটা এগিয়ে সকাল সাড়ে ৭টা করা হতে পারে। আবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট চলে, সেটি বাড়িয়ে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত করার ভাবনা আছে। অর্থাৎ মোট ৯ ঘণ্টা ভোটগ্রহণের প্রস্তাব বিবেচনায় আছে।”

এ ছাড়া ভোটারদের চাপ সামাল এবং গণভোটের আলাদা ভোটপত্র ব্যবস্থাপনায় সুবিধার জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে গোপন কক্ষের সংখ্যাও বাড়ানোর কথা ভাবছে ইসি।

সবকিছু মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ ইঙ্গিত অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়েই এক দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট—দুই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন।