অবৈধ সম্পদ ও ১২০ কোটি টাকার লেনদেন মামলায় জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

0
34

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক ব্যাংক লেনদেনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আদাবর থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জিয়াউল আহসান বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং এই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

এর আগে গত বছরের ২৩ জানুয়ারি দুদকের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন বাদী হয়ে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া এই কর্মকর্তা নিজ নামে ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। পাশাপাশি গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজ্যাকশন–২০১৮ ও ২০২০ সালের সার্কুলারে নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

দুদকের তথ্যমতে, জিয়াউল আহসান নিজের নামে থাকা আটটি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি তার পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতায় এই অর্থ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হয়েও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জিয়াউল আহসান দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।