দেশে চলমান এলপি গ্যাসের (এলপিজি) সংকট ও মূল্য অস্থিরতা মোকাবিলায় আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট এবং কর কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আমদানি করা এলপি গ্যাসের ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ এবং দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত এলপি গ্যাসের ভ্যাট ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।
জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শীতকালে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির সরবরাহ কমে যাওয়া এবং দেশে পাইপলাইনের গ্যাস সংকট দেখা দেওয়ায় এলপিজির ওপর চাপ বাড়ে। এতে বাজারে দামের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।
সাধারণ ভোক্তাদের স্বস্তি দিতেই সরকার এই কর পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। একইসঙ্গে এলপি গ্যাস আমদানিতে ব্যাংক ঋণ ও এলসি খোলার প্রক্রিয়া সহজ করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, নানা দাবিতে বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রেখেছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি।
বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ঘোষণা দেয়। ব্যবসায়ীদের প্রধান দাবিগুলো হলো, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক নতুন করে সিলিন্ডারের মূল্য নির্ধারণ এবং প্রশাসনের মাধ্যমে ডিলারদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করা।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই ধর্মঘট চলবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা। ফলে সরকারি উদ্যোগের সুফল ভোক্তারা কবে পাবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।