বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) প্রথমবার অংশ নিয়ে প্রত্যাশিত অভিজ্ঞতা পেল না নোয়াখালী এক্সপ্রেস। লিগ পর্বে এখনও একটি ম্যাচ বাকি থাকলেও নিজেদের নবম ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে ৫ উইকেটে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে দলটি। এই হারের ফলে প্লে অফে ওঠার সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায় নোয়াখালীর।
নোয়াখালী এখন পর্যন্ত ৯ ম্যাচে জিতেছে মাত্র ২টি, হেরেছে ৭টি। ৪ পয়েন্ট নিয়ে তারা রয়েছে টেবিলের একেবারে তলানিতে। অন্যদিকে ৮ ম্যাচে ৬ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নোয়াখালী গুটিয়ে যায় মাত্র ১২৬ রানে। চট্টগ্রামের পেসার শরীফুল ইসলামের বোলিং তোপেই মূলত ধস নামে। নোয়াখালীর কোনো ব্যাটারই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন হাসান ইসাখিল, আর জাকের আলী অনিক করেন ২৩ রান।
ম্যাচে শরীফুল ৩.৫ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ করে নেন ৫ উইকেট। এতে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে বিপিএলে সবচেয়ে কম রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েন তিনি। এর আগে ২০১৪ সালে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে রংপুরের হয়ে আবু হায়দার রনি ১২ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন। বিপিএলের ইতিহাসে সেরা বোলিং ফিগার এখনও তাসকিন আহমেদের, যিনি গত বছর দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ১৯ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন।
১২৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে বড় ধাক্কা খায় চট্টগ্রামও। দলীয় ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। এরপর মেহেদী হাসান ও হাসান নেওয়াজ কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হাসান নেওয়াজ ১৪ বলে ১১ রান করে ফিরে গেলে আবারও চাপ তৈরি হয়। এরপর আসিফ আলিকে সঙ্গে নিয়ে মেহেদী দায়িত্ব নিয়ে ম্যাচটা বের করে আনেন। শেষ পর্যন্ত ১৮ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম। মেহেদী ৩৬ বলে ৪৯ রান ও আসিফ ৩০ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।