গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা

0
49

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটকে সামনে রেখে ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফটোকার্ড শেয়ার করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি নিজের ফেসবুক পেজ এবং এক্স (X) হ্যান্ডল থেকে গণভোটের প্রচারণামূলক ওই ফটোকার্ড প্রকাশ করেন।

ফটোকার্ডে লেখা রয়েছে, “গণভোট ২০২৬—দেশকে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পথ খুলে দিন ‘হ্যাঁ’তে সিল দিন।”

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, গণভোটের প্রচারণার অংশ হিসেবে ১১ জানুয়ারি থেকে ফটোকার্ড শেয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তা আগামী রোববার (১৮ জানুয়ারি) পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এ ধারাবাহিক উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো গণভোটকে ঘিরে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা।

এদিকে সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টারাও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। সরকারিভাবেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চলছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা ও প্রার্থীরাও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার সঙ্গে গণভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন।

সরকারি ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, গণভোটে একটি প্রশ্নের মাধ্যমে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে মতামত জানানো যাবে, যেখানে চারটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ায় গঠনের বিষয়; আগামী সংসদকে দুই কক্ষবিশিষ্ট করা এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠন ও সংবিধান সংশোধনে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ অনুমোদনের বিধান; জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হওয়া ৩০টি প্রস্তাব—যার মধ্যে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ নানা বিষয় রয়েছে—এসব বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে কি না; এবং জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়নের বিষয়।