ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে চট্টগ্রামের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। পুরো ইনিংসে তানজিদ হাসানের ৪১ রান ছাড়া কোনো ব্যাটারই থিতু হতে পারেননি। শেষদিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ১৫ বলে ৩২ রানের ক্যামিও ইনিংসের ওপর ভর করে ১৩৩ রানে অলআউট হয় রাজশাহী। চট্টগ্রামের হয়ে অধিনায়ক মেহেদী হাসান ২০ রানে ২ উইকেট নেন এবং আমের জামাল শেষ ওভারে জোড়া উইকেট শিকার করেন।
১৩৪ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে দারুণ সূচনা এনে দেন মির্জা বেগ ও মোহাম্মদ নাঈম। উদ্বোধনী জুটিতে তারা ৬৪ রান যোগ করেন। নাঈম ৩০ এবং নওয়াজ ২০ রান করে বিদায় নিলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে ৪৫ রান করেন মির্জা বেগ। তবে শেষ দিকে রাজশাহীর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ম্যাচ কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ে। জয়ের জন্য শেষ ওভারে চট্টগ্রামের প্রয়োজন ছিল ৯ রান। ২০তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই বিশাল এক ছক্কা মেরে ম্যাচ হাতের মুঠোয় নিয়ে আসেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান। শেষ পর্যন্ত ৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত হয় চট্টগ্রামের। অধিনায়ক মেহেদী ৯ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং বল ও ব্যাটে অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন।
এই হারের ফলে রাজশাহীর ফাইনালে যাওয়ার স্বপ্ন এখনই শেষ হয়ে যায়নি। বুধবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে তারা সিলেট টাইটান্সের মুখোমুখি হবে, যেখানে জয়ী দল ফাইনালে চট্টগ্রামের প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়বে।