গফরগাঁওয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গুলি: আহত ১০

0
34

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ধানের শীষ প্রতীক পাওয়ার পর দলীয় প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চুর সমর্থকরা ইসলামিয়া স্কুলের সামনে শোভাযাত্রার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। একই সময়ে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমান ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে তাঁর সমর্থকদের সাথে মিছিল করে ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে চলে এলে বাকবিতণ্ডা থেকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে সেখানে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে এবং কয়েকটি স্থানে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

এই সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং সোহাগসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং অধিকাংশ দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

আখতারুজ্জামান বাচ্চু (দলীয় প্রার্থী): তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্রোহী প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে তাঁর সমর্থকদের ওপর উদ্দেশ্যমূলকভাবে হামলা ও গুলিবর্ষণ করা হয়েছে। তিনি অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

এবি সিদ্দিকুর রহমান (বিদ্রোহী প্রার্থী): তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁর বিশাল মিছিল নিয়ে তিনি গাড়িতে ছিলেন এবং কেউ কারও ওপর হামলা করেনি।

আখতারুজ্জামান বাচ্চুর সমর্থকদের দাবি, বিদ্রোহী প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমান পলাতক শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের ব্যবসায়িক পার্টনার এবং জনতা ব্যাংক থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ মামলার আসামি। এসব বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণেই তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি এবং এখন দলের ক্ষতি করতে ষড়যন্ত্র করছেন।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল আল মামুন জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।