আমাদের হাতে আইনকানুনের পাশাপাশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে: ইসি সানাউল্লাহ

0
35

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, জুলাইযোদ্ধারা খালি হাতে লড়াই করেছিলেন, আর এখন আমাদের হাতে আইনকানুনের পাশাপাশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সুষ্ঠুভাবে একটি গণতান্ত্রিক উত্তরণ ঘটানো অসম্ভব হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার বিকেলে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার।

তিনি বলেন, অতীতের তুলনায় বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলো আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন। এই ইতিবাচক পরিবর্তন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথকে আরও সহজ করবে বলেও আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।

সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য মাঠপর্যায়ের তথ্যকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, গ্রাম-পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির সদস্যরা স্থানীয় বাস্তবতা সবচেয়ে ভালো বোঝেন। কে বহিরাগত, কে জীবিত বা মৃত—এসব তথ্য তাদের জানা থাকে। তাই তাদের সোর্সকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একটি ভালো নির্বাচনের মূল ভিত্তি হলো ভালো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে যেতে আগ্রহী হবে। এ সময় তিনি ব্যালটের স্বচ্ছতা নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

ইসি বলেন, যে ব্যালট ভোটার নিজে ভেরিফাই করবেন না, সেটি গ্রহণ করা হবে না। লাইভ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে ভোট প্রদান নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় সে ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না। এটি দীর্ঘদিনের দাবি ও স্বপ্নের ফল উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনোভাবেই এই অর্জন নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।

মতবিনিময় সভায় লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিজিবি-৪ ব্যাটালিয়নের সিইও মো. মোশারফ হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, সেনাবাহিনীর লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের মেজর জিয়া উদ্দিন আহম্মেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সম্রাট খীসাসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।