পটুয়াখালী-৩ আসনে ট্রাক প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

0
27

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে জোটের প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ট্রাক প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নুরুল হক নুরের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়ন যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মহিবুল্লাহ হাওলাদার জানান, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণঅধিকার পরিষদ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভায় অংশ নেন। এ সময় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থকরা ঘোড়া প্রতীকের স্লোগান দিতে দিতে দলবদ্ধভাবে কার্যালয়ে প্রবেশ করে চেয়ার ছোড়াছুড়িসহ হামলা ও ভাঙচুর চালায়। হামলাকারীদের হাতে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ছিল বলে অভিযোগ করা হয়।

তিনি দাবি করেন, এ ঘটনায় দশমিনা উপজেলা ছাত্র অধিকারের দপ্তর সম্পাদক হাসান মাহমুদ, চরবোরহান ইউনিয়ন যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্য সচিব মাসুদসহ সাত থেকে আটজন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও কিছু সময় হামলা অব্যাহত ছিল। পরে পুলিশ দুই পক্ষকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপির বহিষ্কৃত প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল নেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় তারা নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাসান মামুনের পক্ষে একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় গণঅধিকার পরিষদের লোকজন তাদের মিছিলে ঢুকে হাতাহাতি ও মারধর শুরু করে। এতে তাদের পক্ষের তিনজন আহত হন বলে তিনি দাবি করেন। কার্যালয়ে হামলার ভিডিও প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদাত হাসনাইন পারভেজ জানান, সোমবার রাতে চরবোরহান ইউনিয়নের একটি বাজার এলাকায় নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানান তিনি।