আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কারও পক্ষ নেবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ যাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে, যুক্তরাষ্ট্র সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে তিনি আগ্রহী এবং ফলাফল দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন।
ক্রিস্টেনসেন বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করার অধিকার একমাত্র বাংলাদেশের জনগণের এবং শুধু বাংলাদেশের জনগণেরই। বাংলাদেশের জনগণ যাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবে, আমরা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত।”
তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাম্প্রতিক সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা তাকে বলেছেন, তিনি আশা করছেন নির্বাচন দিবসটি উৎসবমুখর হবে। এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি চান এটি একটি আনন্দময় ও উৎসবপূর্ণ নির্বাচন হোক, যেখানে মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিয়ে মতামত প্রকাশ করতে পারবে এবং বাংলাদেশ একটি সফল নির্বাচন সম্পন্ন করবে।
রাষ্ট্রদূত জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বৈঠকে যে তথ্যগুলো তার সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন, তাতে তিনি সন্তুষ্ট এবং সবার মতো তিনিও ১২ ফেব্রুয়ারির ফলাফলের অপেক্ষায় আছেন।
এর আগে বুধবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও ফিরোজ আহমেদ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।