ইসলামী আন্দোলন নেতাকর্মীদের ওপর জামায়াত সমর্থকদের হামলার অভিযোগ

0
25
ইসলামী আন্দোলন নেতাকর্মীদের ওপর জামায়াত সমর্থকদের হামলার অভিযোগ

ভোলা-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের ঔদ্ধত্য ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে এবং এতে নির্বাচনী পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে আজকের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড উৎসবমুখর নির্বাচনী পরিবেশকে মারাত্মকভাবে কলুষিত করবে। স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ঘটনার সূত্রপাত দুই দিন আগে একটি নির্বাচনী উঠান বৈঠক থেকে। হাতপাখা প্রতীকের উঠান বৈঠকে প্রচারণাকালে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে কিছু সত্য কথা বলায় তারা সেখানে বাধা দেয়। তখন ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করলেও পরবর্তীতে স্থানীয় জামায়াত কর্মীদের পক্ষ থেকে একের পর এক হামলার হুমকি আসতে থাকে। এমনকি ‘১২ তারিখের পর সবাইকে দেখে নেওয়া হবে’— এমন হুমকিও দেওয়া হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় বাজারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে জামায়াতের এক রোকনের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতাকর্মী জড়ো হয়ে পীর সাহেব চরমোনাই ও হাতপাখা প্রতীকের বিরুদ্ধে নোংরা ও মিথ্যা বক্তব্য দিতে শুরু করে। বিষয়টি ইউনিয়ন যুব আন্দোলনের সভাপতি শফিকুল ইসলামের নজরে এলে তিনি বাধা দেন। এরপর জামায়াত নেতাকর্মীরা আরও লোক জড়ো করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে শফিকুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালায়।

হামলার সময় শফিকুল ইসলামের ছেলে ও ১০ বছর বয়সী মেয়েকে কোদাল দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করা হয় এবং মেয়েটির হাত ভেঙে যায়। শিশুটির আর্তচিৎকারে তার মা বাইরে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। খবর পেয়ে শফিকুল ইসলাম পাশের ক্ষেতে কাজ ফেলে ছুটে এলে তাকেও হামলা করে রক্তাক্ত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, যারা এ ধরনের হামলার সঙ্গে জড়িত তারা দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলার জন্য হুমকি। অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।