ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সকাল ৮টা ১০ মিনিটে খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রের সামনে দুইপক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মধ্যে বিএনপি নেতা মহিবুজ্জামান কচি মারা গেছেন। তিনি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, কেন্দ্রের বাইরে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এই সময় মহিবুজ্জামান কচি একটি গাছের সঙ্গে মাথা আঘাত পান এবং পরে মারা যান।
খুলনা মহানগর বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রের অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছিলেন। তাঁকে বাধা দেওয়ার সময় ধাক্কা লেগে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
অন্যদিকে কেন্দ্রের অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, তিনি কাউকে ধাক্কা দেননি এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। খুলনা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বলেন, মহিবুজ্জামান কচির অসুস্থতাও ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।
খুলনা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ঘটনার জন্য প্রিন্সিপাল এবং সহযোগীদের গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে, উত্তেজনা দেখা গেছে তবে পড়ে যাওয়ার দৃশ্য এখনও পাওয়া যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।