Home জাতীয় জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) হঠাৎ করে গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন খান আনু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ রাজধানীর সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন। এ উপলক্ষে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে সৌন্দর্য বর্ধন, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এর জন্য গত রোববার থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হচ্ছে, যাতে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একটি উপযুক্ত পরিবেশ পায়। এছাড়া স্মৃতিসৌধ এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। নিরাপত্তা এবং আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত হওয়ার পরই সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিপুল ব্যবধানে জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নতুন মন্ত্রীসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একই দিনে সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যরাও শপথ গ্রহণ করবেন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন।

নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে তারা দেশের সরকার গঠন করবেন। শপথগ্রহণ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার বহাল থাকবে। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ বাতিল হয়ে যাবে।

এ ধরনের প্রস্তুতি সাধারণত নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের আগে করা হয়ে থাকে। জাতীয় স্মৃতিসৌধ বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী স্থান হিসেবে বিবেচিত। সরকারের প্রধান এবং মন্ত্রিপরিষদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি নিরাপদ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

স্মৃতিসৌধে প্রবেশে এই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সাধারণ জনগণের জন্য সাময়িক। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ অনুষ্ঠান শেষ হলে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য প্রাঙ্গণ পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে।