নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, অল্প কিছু সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে পারলে মোংলা বন্দরকেও চট্টগ্রাম বন্দরের মতো সফল এবং সক্ষম একটি বন্দর হিসেবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। তিনি জানান, সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় আগামী ছয় মাসের মধ্যেই মোংলা বন্দরের আমূল পরিবর্তন দেখা যাবে।
শনিবার দুপুরে মোংলা বন্দর জেটিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, “সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকার চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন করার অঙ্গীকার আছে। সেই ৬ মাসের অগ্রাধিকার প্ল্যানে মোংলা বন্দরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুতরাং ৬ মাসের মধ্যে মোংলা বন্দরের আমূল পরিবর্তন দেখতে পাবেন।”
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, মোংলা নদীর ওপর একটি ঝুলন্ত সেতুর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এবং এটিও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে। এছাড়া দ্রুত সময়ের মধ্যে কোচ ও ইঞ্জিন এনে মোংলা-খুলনা রেলপথে একাধিক ট্রেন চালু করা হবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে মন্ত্রী বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে একটি মতবিনিময় সভায় যোগ দেন। সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দুই মন্ত্রীকে বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফিং করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান, সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মো. শফিকুল ইসলাম সরকার, সদস্য (অর্থ) ও পরিচালক (প্রশাসন) আবেদ হোসেন এবং সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) ড. আনিসুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।