মার্চ পর্যন্ত লিপুকে দায়িত্ব দিচ্ছে বিসিবি, অপেক্ষা বাড়লো হাবিবুল বাশারের

0
13
মার্চ পর্যন্ত লিপুকে দায়িত্ব দিচ্ছে বিসিবি, অপেক্ষা বাড়লো হাবিবুল বাশারের

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর মেয়াদ চলতি মাসেই শেষ হচ্ছে। তবে নতুন করে চুক্তি নবায়নে আগ্রহী নন তিনি। ফলে জাতীয় দলের নতুন প্রধান নির্বাচক খুঁজছে ক্রিকেট বোর্ড। ইতোমধ্যে এই পদে সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমনকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিসিবি সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই বছর মেয়াদে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নিয়েছিলেন লিপু। চলতি ফেব্রুয়ারিতে তাঁর সেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন চুক্তিতে আগ্রহ না থাকায় প্রধান নির্বাচকসহ সহকারী নির্বাচকের পদে নতুন কাউকে নিয়োগের দায়িত্ব বিসিবির চার পরিচালকের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। এমনকি নির্বাচকের পদে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেও নিয়োগ দিতে পারে বোর্ড।

জানা গেছে, কয়েক দিন আগে বিসিবি প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল হাবিবুল বাশার সুমনকে। তবে তিনি নিজের সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য কিছুদিন সময় চেয়েছেন। বাশারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া এবং সামগ্রিক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগায় আপাতত মার্চ মাস পর্যন্ত দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার জন্য লিপুকে প্রস্তাব দেবে বিসিবি। গতকাল বিসিবির বোর্ড মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। লিপু আগেই জানিয়েছিলেন, নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি নিজের দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন।

এদিকে নির্বাচক প্যানেলে নতুন করে সাবেক ক্রিকেটার সাজ্জাদ আহমেদ শিপনও যুক্ত হতে পারেন বলে জানা গেছে।

হাবিবুল বাশার বর্তমানে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করেছেন। তবে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পেলে এটি হবে তাঁর জন্য সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা। যদিও নির্বাচক প্যানেলে তিনি মোটেও নতুন নন। ২০১৬ সালে প্রথমবার প্যানেলে যুক্ত হয়ে টানা আট বছর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে সময় প্রধান নির্বাচক ছিলেন যথাক্রমে ফারুক আহমেদ ও মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।

খেলোয়াড়ি জীবনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের অন্যতম অভিজ্ঞ ব্যাটার হিসেবে পরিচিত হাবিবুল বাশার সুমন ৫০টি টেস্ট ও ১১১টি ওয়ানডে ম্যাচে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন সফলভাবে। মাঠের এই বিপুল অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিন নির্বাচক প্যানেলে কাজ করার সুবাদে প্রধান নির্বাচক হিসেবে তাঁর নিয়োগ হলে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।