১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১১৭ রানেই ৬ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। তখন ক্রিকইনফোর হিসাব বলছিল, ম্যাচ জয়ের সম্ভাবনা নিউজিল্যান্ডের ৮৪ শতাংশ। সেখান থেকে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করে ৪ উইকেট ও ৩ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় ইংল্যান্ড।
এই জয়ে সুপার এইটের গ্রুপ ২–এর লড়াই জমে উঠেছে। এখন পাকিস্তান–শ্রীলঙ্কা ম্যাচই নির্ধারণ করবে ইংল্যান্ডের সঙ্গে শেষ চারে যাবে নিউজিল্যান্ড নাকি পাকিস্তান।
শুক্রবার প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। শুরুটা ছিল দারুণ। ৬.৫ ওভারে উইকেট না হারিয়ে ৬৪ রান তুলে চাপ সৃষ্টি করে তারা। টিম সাইফার্ট ২৫ বলে ৩৫ ও ফিন অ্যালেন ১৯ বলে ২৯ রান করেন। তবে এরপর ঘুরে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড। আদিল রশিদ ফেরান সাইফার্টকে, উইল জ্যাকস আউট করেন অ্যালেনকে। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম বলেই উইকেট পান রেহান আহমেদ, তার শিকার রাচিন রবীন্দ্র। গ্লেন ফিলিপস ২৮ বলে ৩৯ রান করলেও শেষ পর্যন্ত বড় সংগ্রহ পায়নি কিউইরা। রশিদ ও রেহান দুটি করে উইকেট নেন।
জবাবে শুরুতেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। মাত্র ৮ বলেই ২ রানে ২ উইকেট হারায় তারা। ফিল সল্ট ও জস বাটলার দ্রুত ফিরে যান। নবম ওভারে ৫৮ রানে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ইংলিশরা। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান হ্যারি ব্রুক ও জ্যাকব বেথেলও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।
স্যাম কারান ও বেথেল কিছুটা আশা জাগালেও ১০০ রানে কারান ও ১১৭ রানে বেথেল বিদায় নিলে ম্যাচ প্রায় হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছিল। ঠিক তখনই হাল ধরেন উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ। সপ্তম উইকেটে তাদের অবিচ্ছিন্ন ৪৪ রানের জুটিই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। জ্যাকস ৩২ ও রেহান ১৯ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
নিউজিল্যান্ডের জন্য ম্যাচটি ছিল সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার সুযোগ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নাটকীয় এই হারে এখন তাদের ভাগ্য নির্ভর করছে অন্য ম্যাচের ওপর। আর গ্রুপ ২–এর রোমাঞ্চ গড়িয়েছে শেষ দিন পর্যন্ত।