কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইআরজিসির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়, কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্তত ২০টি মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে তারা সফলভাবে আঘাত হেনেছে।
ইরানি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, কুয়েতের আরিফজান ঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-মিনহাদ বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের স্থাপনাগুলো ছিল তাদের হামলার মূল লক্ষ্য।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের এই দাবিকৃত হামলায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের ছোড়া অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করা হয়েছে এবং হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতি ছিল অত্যন্ত সীমিত।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই ইরান পাল্টা আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিচ্ছে। পাল্টাপাল্টি এসব হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার এবং পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।