দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আগামীকাল (৮ মার্চ) মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি। তবে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—বৃষ্টি বা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ম্যাচ পণ্ড হলে চ্যাম্পিয়ন হবে কে?
গত ৭ ফেব্রুয়ারি ২০টি দল নিয়ে শুরু হওয়া এই আসরের চূড়ান্ত পর্বে ভারতের সামনে হাতছানি দিচ্ছে একাধিক রেকর্ডের। ঘরের মাঠে এই ম্যাচ জিতলে প্রথম দল হিসেবে তৃতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়বে তারা। অন্যদিকে, আইসিসির ইভেন্টে নিয়মিত ভালো খেললেও এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ছোঁয়া হয়নি কিউইদের। তাই আহমেদাবাদে জয় পেলে সেটি হবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আকাশ পরিষ্কার থাকার কথা বলা হলেও বড় ম্যাচে বৃষ্টির শঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না আয়োজকরা। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, ফাইনাল ম্যাচের জন্য নির্ধারিত সময়ের বাইরে অতিরিক্ত ১২০ মিনিট সময় রাখা হয়েছে। নকআউট পর্বে ফল নির্ধারণের জন্য অন্তত দুই দলকে ১০ ওভার করে খেলতে হবে।
যদি ৮ মার্চ নির্ধারিত দিনে খেলা শেষ করা সম্ভব না হয়, তবে পরদিন ৯ মার্চ রিজার্ভ ডে হিসেবে রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে আগের দিন যেখানে খেলা থেমেছিল, রিজার্ভ ডে-তে সেখান থেকেই পুনরায় খেলা শুরু হবে। নির্ধারিত খেলায় দুই দলের রান সমান হলে বিজয়ী নির্ধারণে সুপার ওভার বা অতিরিক্ত এক ওভারের লড়াই হবে।
তবে প্রকৃতির বৈরী আচরণের কারণে যদি রিজার্ভ ডে-তেও খেলা সম্পন্ন করা না যায়, সেক্ষেত্রে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী দুই দলকেই যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে। বিশ্ব ক্রিকেটে এমন ঘটনা বিরল হলেও একেবারে নতুন নয়। এর আগে ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারত ও শ্রীলঙ্কার ম্যাচটি দুই দিনই বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় উভয় দলকে যৌথভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল।