ঘরের মাঠ সেন্ট জেমস পার্কে বার্সেলোনাকে হারানোর উৎসবের সব প্রস্তুতিই সেরে রেখেছিল নিউক্যাসল ইউনাইটেড। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে জয়ের সুবাসও পাচ্ছিল ইংলিশ ক্লাবটি। কিন্তু ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় তাদের সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। লামিনে ইয়ামালের শেষ কিকের গোলে হার এড়িয়ে ১-১ ব্যবধানের স্বস্তির ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে কাতালান জায়ান্টরা।
ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে হার্ভি বার্নেসের গোলে লিড নেয় স্বাগতিক নিউক্যাসল। এই গোলটিই তাদের জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল। কিন্তু যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে দৃশ্যপট বদলে যায়। বদলি খেলোয়াড় দানি ওলমোকে বক্সের ভেতর ফাউল করেন নিউক্যাসলের ডিফেন্ডার মালিক থিয়াও। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে সেখান থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান স্প্যানিশ তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল।
পুরো ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও ১-১ গোলের এই ড্র নিউক্যাসলের জন্য মেনে নেওয়া কঠিন। ১৯৯৭ সালে এই প্রতিযোগিতায় বার্সার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করা কিংবদন্তি টিনো আসপ্রিলা গ্যালারিতে বসে উত্তরসূরিদের উৎসাহ দিচ্ছিলেন, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। আগামী বুধবার ন্যু ক্যাম্পে দ্বিতীয় লেগের কঠিন লড়াইয়ের আগে এগিয়ে থাকার সুযোগ হাতছাড়া করল ম্যাগপাইরা।
অন্যদিকে, দলের পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো না হলেও ফলাফলে সন্তুষ্ট বার্সেলোনা কোচ হ্যান্সি ফ্লিক। ম্যাচ শেষে তিনি স্বীকার করেন যে, বল দখলে রাখা এবং নির্ভুল খেলার ক্ষেত্রে দল পিছিয়ে ছিল। নিউক্যাসল সুযোগ পেলেই গতি বাড়িয়েছে, যা সামলানো সহজ ছিল না। তবে দলগতভাবে সেই চাপ সামলে হার এড়াতে পারায় শিষ্যদের প্রশংসাও করেছেন বার্সা কোচ।