যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। অভিবাসননীতি, বৈদেশিক যুদ্ধনীতি এবং অন্যান্য ইস্যুকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ কর্মসূচি ‘নো কিংস’ আন্দোলন নামে পরিচিতি পেয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) দেশটির সব অঙ্গরাজ্যে তিন হাজারের বেশি স্থানে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকদের দাবি, আগের কর্মসূচিগুলোর তুলনায় এবার অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি, ডালাস ও ফিলাডেলফিয়াসহ বড় শহরগুলোতে বড় জমায়েত দেখা গেলেও ছোট শহরগুলোতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। বিশেষ করে ছোট শহরগুলোর অংশগ্রহণ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।
মিনেসোটার সেন্ট পল এলাকায় অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে গভর্নর টিম ওয়ালৎস বলেন, এই আন্দোলন যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার প্রতিফলন। তিনি দাবি করেন, মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান থেকেই এই প্রতিবাদ।
একই সমাবেশে বক্তব্য দেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে কোনোভাবেই স্বৈরাচার বা অল্পসংখ্যক প্রভাবশালীর নিয়ন্ত্রণে যেতে দেওয়া হবে না।
নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে বড় আকারের মিছিলে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা রবার্ট ডি নিরোও। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির সমালোচনা করে বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।


