১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে সংসদে আলোচনা চান বিরোধীদলীয় নেতা

0
28
১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে সংসদে আলোচনা চান বিরোধীদলীয় নেতা

১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্যসূচি শুরুর আগে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

তিনি বলেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির প্রতিবেদনে কিছু অধ্যাদেশ ‘ল্যাপস’ (বিলুপ্ত) করার সুপারিশ রয়েছে, যা স্পিকার অনুমোদন করেছেন। তার মতে, এসব অধ্যাদেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ‘জুলাই স্পিরিট’-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, ওই অধ্যাদেশগুলো নিয়ে সংসদে আলোচনা করার সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি দাবি করেন, তালিকাভুক্ত অধ্যাদেশগুলো জনগণের অধিকার সংরক্ষণের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাই এগুলো উত্থাপন করে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে স্পিকার আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আইনমন্ত্রী শুরুতে জানান, বিরোধীদলীয় নেতা যে দুটি বিলের কথা বলেছেন, সেগুলো ১৩৩টি অধ্যাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং এগুলো মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো নতুন (ফ্রেশ) বিল।

তিনি আরও বলেন, ‘ল্যাপস হওয়া কিছু অধ্যাদেশ পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে বিল আকারে সংসদে আনা হবে।’

পরে আসরের নামাজের বিরতির পর আইনমন্ত্রী তার পূর্বের বক্তব্য সংশোধন করে জানান, বিরোধীদলীয় নেতা যে দুটি আইনের কথা বলেছেন, সেগুলো আসলে ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত।

এরপর বিরোধীদলীয় নেতা পুনরায় আলোচনার দাবি জানিয়ে বলেন, ল্যাপসের তালিকাভুক্ত প্রতিটি অধ্যাদেশই গুরুত্বপূর্ণ এবং জনগণের অধিকার রক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এগুলো সংসদে উত্থাপন করে আলোচনার সুযোগ দেওয়া উচিত।

জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি অধ্যাদেশই পর্যায়ক্রমে সংসদে উত্থাপন করা হবে এবং ফার্স্ট ও সেকেন্ড রিডিংয়ের সময় সেগুলো নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ থাকবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে যে দুটি অধ্যাদেশ বিল আকারে আনা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে বিশেষ কমিটি নিঃশর্তভাবে পাসের সুপারিশ করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here