ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে চান আনচেলত্তি

নিজের স্বপ্নের কথাও জানান ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সেরা এ কোচ। ঐতিহ্যাবাহী মারাকানা স্টেডিয়ামে ব্রাজিল দলের কোচ হিসেবে ডাগআউটে দাঁড়াতে চান আনচেলত্তি। শুধু তাই নয় ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে ফুটবল বিশ্বকে বেস্ট সেলার বই উপহার দিতে যান এই ইতালিয়ান মাষ্টারমাইন্ড। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের অধরা ‘হেক্সা’ স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে চান তিনি।

0
69

পথ হারা ব্রাজিলকে কক্ষপথে আনতে ব্রাজিলে অবস্থান করছেন ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড কার্লো আনচেলত্তি। গত ২৬ মে আনুষ্ঠানিকভাবে সেলেসাওদের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। ইতোমধ্যেই শেষ করেছেন পরিচয় পর্ব। কথা বলেছেন মন খুলে। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল নিয়ে তার ধারণা, নিজের খেলোয়াড়ি ও কোচিং ক্যারিয়ার, সিনেমা দেখার নেশা এবং লেখালেখিসহ আরও অনেক কিছু নিয়ে কথা বলেন আনচেলত্তি।

নিজের স্বপ্নের কথাও জানান ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সেরা এ কোচ। ঐতিহ্যাবাহী মারাকানা স্টেডিয়ামে ব্রাজিল দলের কোচ হিসেবে ডাগআউটে দাঁড়াতে চান আনচেলত্তি। শুধু তাই নয় ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে ফুটবল বিশ্বকে বেস্ট সেলার বই উপহার দিতে যান এই ইতালিয়ান মাষ্টারমাইন্ড। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের অধরা ‘হেক্সা’ স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে চান তিনি।

আনচেলত্তি বলেন, আমি এখন পর্যন্ত তিনটি বই লিখেছি। ‘আই প্রেফার দ্য ওয়ার্ল্ড কাপ’ বইটি আত্মজীবনীমূলক। ‘মাই ক্রিসমাস ট্রি’ বইয়ে আমি ব্যাখ্যা করেছি গত ২০ বছরে কৌশলগত ও কাজের জায়গা থেকে ফুটবল পাল্টেছে এবং অন্যটি ‘কুয়ায়েট লিডারশিপ’। চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল নিয়ে চতুর্থটি শিগগিরই বের হবে। তবে ব্রাজিল বিশ্বকাপ জিতলে যে বইটি লিখব সেটি বেস্টসেলার বই হবে।

এখন পর্যন্ত ৪০ জন ব্রাজিলিয়ানকে কোচিং করিয়েছেন আনচেলত্তি। তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রতিভাবান কে— এমন প্রশ্নের জবাবে রোনালদো নাজারিওকে সবার উপরে রেখেছেন তিনি। এসি মিলানে আনচেলত্তির অধীনে খেলেছেন ব্রাজিলের হয়ে দুবার বিশ্বকাপজয়ী রোনালদো।

তিনি বলেন, রোনালদো টেকনিক্যালি সেরা। তার খেলার ধরণ, মাঠে তার প্রভাব অবিশ্বাস্য। সে বিশ্বের সবচেয়ে মজার মানুষও। কাফু ছিল সবচেয়ে পেশাদার। তবে মজার মানুষ আরও অনেকেই আছে। এই যেমন মিলিতাও, ভিনিসহ আরও অনেকে। ভিনি খুব বিনয়ী। আমার সবার সঙ্গেই খুব ভালো সম্পর্ক। অনেকেই আমাকে ফোন করে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছে।

খেলোয়াড় হিসেবে আনচেলত্তির ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ ব্রাজিলের বিপক্ষে ১৯৯২ সালে। কোচিংয়ে নামার পর ইতালির সহকারী কোচ হিসেবে ১৯৯৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছেন ব্রাজিলের। ভাগ্যই তাকে ব্রাজিল পর্যন্ত টেনে এনেছেন বলে মনে করেন আনচেলত্তি।

উল্লেখ্য, ব্রাজিলকে ২০২৬ বিশ্বকাপ জেতানোর লক্ষ্য নিয়ে দলটির কোচের দায়িত্ব নিয়েছেন আনচেলত্তি। আপাতত তার দায়িত্ব হলো ব্রাজিলকে আগামী বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার টিকিট পাইয়ে দয়া। আনচেলত্তির প্রথম অ্যাসাইনম্যান্ট আগামী ৫ জুন ইকুয়েডরের বিপক্ষে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here