ক্লাস্টার বোমার অভিযোগে হুতি ঘাঁটিতে ইসরায়েলের বিমান হামলা

0
48

ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হুতি বিদ্রোহীদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এর আগে হুতিদের এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পরই এ পাল্টা অভিযান চালানো হয়। খবর বিবিসির।

সোমবার (২৫ আগস্ট) ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, হামলার লক্ষ্য ছিল হুতিদের একটি সামরিক কমপ্লেক্স। সেখানে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ, জ্বালানি ডিপো এবং একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত ছিল। হুতি কর্মকর্তাদের দাবি, এ হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত ও ৮৬ জন আহত হয়েছেন।

চলমান সংঘাতে হুতিদের পক্ষ থেকে প্রথমবার ক্লাস্টার বোমা ব্যবহারের ঘটনা বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে আইডিএফ কেন হামলাটি প্রতিহত করতে ব্যর্থ হলো, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, বিশ্বের শতাধিক দেশে ক্লাস্টার বোমা নিষিদ্ধ।

অভিযানটি তেল আবিবের কমান্ড সেন্টার থেকে সরাসরি তদারকি করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। হামলার পর নেতানিয়াহু বলেন, ‘যে আমাদের আক্রমণ করবে, আমরা জবাব দেব। যে আক্রমণের পরিকল্পনা করবে, তাকেও আমরা আঘাত করব। আজ ইসরায়েলের শক্তি ও দৃঢ়তা গোটা অঞ্চল প্রত্যক্ষ করছে।’

এর আগে হুতিদের প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্র থেকে আকাশে ছড়িয়ে পড়ছে ছোট ছোট বোমা। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, এসবের একটি বোমা মধ্য ইসরায়েলের গিনাটন শহরের একটি বাড়ির আঙিনায় পড়েছিল। এতে সামান্য ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

২০১৪ সাল থেকে উত্তর-পশ্চিম ইয়েমেনের বৃহৎ অংশ হুতিদের নিয়ন্ত্রণে। তাদের ক্ষমতা দখলের পর থেকেই দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে হুতিরা নিয়মিতভাবে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। পাশাপাশি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজেও হামলা চালাচ্ছে তারা। হুতিদের দাবি, এসব হামলা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতির অংশ।

ইসরায়েলের অভিযোগ, গত জুন মাসে ইরানও ১২ দিনের যুদ্ধে ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করেছিল। তবে সে সময় তেহরান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here