সদস্যদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘনের মতো উত্তেজনাপূর্ণ কর্মকাণ্ড বন্ধে রাশিয়াকে সতর্ক করেছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ৩২ সদস্যের এই জোট জানায়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য রাশিয়া সম্পূর্ণভাবে দায়ী। এটি কেবল উত্তেজনা বাড়ায় না, বরং ঝুঁকি ও প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি করে। ন্যাটোর স্পষ্ট বার্তা—এটা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাশিয়ার কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয় যে ন্যাটো ও তার মিত্ররা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নিজেদের রক্ষা করতে এবং যেকোনো ধরনের হুমকি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সামরিক ও বেসামরিক উপায় ব্যবহার করবে।
গত শুক্রবার রাশিয়ার একাধিক যুদ্ধবিমান প্রায় ১২ মিনিটের জন্য এস্তোনিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করে। এ ঘটনার পরই ন্যাটোর প্রতিষ্ঠা চুক্তির ৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জরুরি বৈঠক আহ্বান করে এস্তোনিয়া। এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর ইউক্রেনে হামলার সময় পোল্যান্ডের আকাশে প্রবেশ করে রাশিয়ার একটি ড্রোন, যা ভূপাতিত করে দেশটির সেনারা।
পোল্যান্ডে ড্রোন হামলার পর মস্কো থেকে আসা হুমকি মোকাবিলায় পূর্ব সীমান্তের প্রতিরক্ষা আরও জোরদারের ঘোষণা দেয় ন্যাটো। এর ফলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তা ন্যাটোর সীমান্তেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সম্প্রতি পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার পাশাপাশি লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও ফিনল্যান্ডও রাশিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘনের মুখোমুখি হয়েছে। তবু ন্যাটো স্পষ্ট করেছে—রাশিয়ার এসব কর্মকাণ্ড ইউক্রেনের প্রতি তাদের স্থায়ী সমর্থনে কোনো প্রভাব ফেলবে না।
সূত্র: রয়টার্স

