গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: ২ জন নিহত, আহত ১০

0
48

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ঘন কুয়াশার কারণে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় বাসের হেলপারসহ দুইজন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে গাইবান্ধা–পলাশবাড়ী মহাসড়কের পলাশবাড়ী উপজেলার ঠুটিয়াপুকুর বাজারসংলগ্ন গড়েয়া ঈদগাহ মাঠ এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন- বাসের হেলপার মূসা আকন্দ (২৫)। তিনি সাদুল্লাপুর উপজেলার সন্তোলা গ্রামের কাজিবাড়ি গ্রামের গণি আকন্দের ছেলে ও বাসের যাত্রী জামিল হোসেন (২০)। তিনি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ধনাশলা গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কম থাকায় ঢাকা থেকে গাইবান্ধাগামী যাত্রীবাহী ‘কাজী পরিবহন’ (ঢাকা মেট্রো-ভ ১২-১৬৩৬) একটি সিমেন্ট বোঝাই ট্রাককে (মেট্রো-উ ১৪-৩৫৪৮) ওভারটেক করার চেষ্টা করে। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সজোরে ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই বাসের হেলপার ও যাত্রী জামিল হোসেন নিহত হন।

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন অন্তত ১০ জন যাত্রী। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও আশেপাশের ক্লিনিকে ভর্তি করেন।

পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা. মো: সালাউদ্দীন আহমেদ খান জানান, গুরুতর আহত চারজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চারজনকেই উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার আলম জানান, দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত এবং ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ৭ জনকে রংপুরে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর নিহত দুইজনের মরদেহ ও দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং বর্তমানে রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের ফাঁসিতলা এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ট্রাকের ধাক্কায় জনি (৩৯) ও সিদ্দিকুর রহমান (৪০) নামে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছিলেন।