‘কেউ যায় দিল্লি, কেউ যায় পিন্ডি, একমাত্র বিএনপিই মানুষের পাশে থাকে’

0
38

কেউ যায় দিল্লি, কেউ যায় পিন্ডি; একমাত্র বিএনপিই মানুষের পাশে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচনের নামে ১৫-১৬ বছর জনগনের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মাঠের জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘একমাত্র ধানের শীষ এই দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে। আমরা দেখেছি অতীতে, কেউ কেউ পাশের দেশে চলে যায়। আবার গতকালকে আমরা দেখেছি— একলোক পিন্ডি পালিয়ে গিয়েছিল। যারা ষড়যন্ত্র করছে বললাম, বিকাশ নম্বর নিচ্ছে, এনআইডি নম্বর নিচ্ছে, মা-বোনদের বিভ্রান্ত করছে বিভিন্ন কথা বলে; তাদের একলোক পালিয়ে গিয়েছিল পিন্ডিতে।

তিনি বলেন, ‘কেউ যায় দিল্লি, কেউ যায় পিন্ডি; কিন্তু বিএনপি রয়ে গেছে এদেশের মানুষের পাশে। খালেদা জিয়া এদেশের মানুষকে ছেড়ে কোথাও যায়নি। মৃত্যুকে মেনে নিয়েছে, যুদ্ধ করেছে, প্রতিবাদ করেছে; এদেশের মানুষকে ছেড়ে খালেদা জিয়া কোথাও যায়নি।’

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘ধানের শীষে ভোট দিবেন, কারণ গেল পনের বছর নির্বাচনের নামে যারা প্রহসনের নির্বাচন করেছিল; তারা জনগণের জন্য কাজ করেনি। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা দরকার।’

জনগনকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে দেশ কীভাবে জনগণ পরিচালিত করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভোটের সুযোগ নষ্ট হলে দেশের সামনে অসম্ভব বিপদ। নির্বাচনে বিএনপিকে নির্বাচিত করলে মা-বোনদের জন্য প্রত্যেক ফ্যামিলিকে ফ্যামিলি কার্ড দিতে চায় বিএনপি। দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করে ন্যায়পরায়ণতার ভিত্তিতে দেশকে পরিচালিত করতে চায় বিএনপি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের মানুষের রাজনৈতবক অধিকার অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিতে যারা জীবন দিয়েছে তাদরর অধিকার রক্ষা করতে হবে।’

ষড়যন্ত্র চলছে আশঙ্কা প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, ‘একটা রাজনৈতিক দল প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ব্যালট দখলের চেষ্টা করছে। জনগণকে সচেতন থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘৭১ সালে দেশ স্বাধীন হয়েছে সেদিন আজকের সেই রাজনৈতিক দল যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি তাদের পক্ষ নিয়েছিল। নতুন করে তাদের দেখার কিছু নাই।’

দেশে সৎ মানুষের শাসন কায়েম একমাত্র বিএনপির পক্ষেই সম্ভব উল্লেখ করে দলটির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্বাচন, রাষ্ট্রপুনর্গঠনের নির্বাচন, সৎ মানুষের শাসন কায়েমের নির্বাচন।’