শেরপুরে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ড: ঝিনাইগাতি ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহার

0
41
শেরপুরে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ড: ঝিনাইগাতি ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহার

শেরপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর ঝিনাইগাতি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)–কে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।

এর আগে বুধবার জামায়াতে ইসলামী সংবাদ সম্মেলন করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সূত্রপাত এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য দেয়। সংবাদ সম্মেলনে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, তাদের ধারণা অনুযায়ী বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলের উসকানি ও নির্দেশে ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে এবং বিএনপির কর্মীরা আগে থেকেই জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলকে হত্যার উদ্দেশে অবস্থান করছিলেন। তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনাকালে কর্তব্যরত ইউএনও ও পুলিশ প্রশাসন “নীরবতা” পালন করেছে, যা প্রশাসনের একপাক্ষিক অবস্থানকে ইঙ্গিত করে বলে জামায়াত মনে করে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নষ্ট হয়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন এবং সরকারের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, শেরপুরের সংঘাত এড়ানো সম্ভব ছিল কি না—তা খতিয়ে দেখতে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। বুধবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগে একটি দল কেন চেয়ার দখল করে রাখল, কেন লাঠিসোঁটা জড়ো করা হলো এবং কেন সংঘাতের পথ বেছে নেওয়া হলো—এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় জনগণ।