নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সড়কে চলবে যেসব যানবাহন

0
35
নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সড়কে চলবে যেসব যানবাহন

আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে-পরে যানবাহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ বুধবার সড়কে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি মধ্যরাত থেকে বিধিনিষেধের আওতা আরও বাড়ছে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখার উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলামের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে, যা ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

এ ছাড়া বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার জন্য ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে জরুরি সেবার যানবাহনগুলো এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক, জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ ও স্বাস্থ্য-চিকিৎসাসংক্রান্ত পণ্য পরিবহন এবং সংবাদপত্র বহনকারী সব ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে। বিমানযাত্রীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে টিকিট বা অনুরূপ প্রমাণ দেখাতে পারলে বিমানবন্দরে যাওয়া-আসার যানবাহনের ওপরও শিথিলতা থাকবে। একইভাবে দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন এবং দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত যানবাহনের ক্ষেত্রেও শিথিলতা প্রযোজ্য হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তাদের নির্বাচনী এজেন্টের জন্য একটি করে ছোট আকারের যানবাহন রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও গাড়িতে স্টিকার প্রদর্শনের শর্তে চলাচল করতে পারবে। সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক কিংবা জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেলও নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা ধরে বিটিআরসি ও বিটিআরসির লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহনও এই ছাড়ের আওতায় থাকবে।

এ ছাড়া জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর, আন্তজেলা বা মহানগর থেকে বাইরে যাওয়া বা প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং সংযোগ সড়কসহ সংশ্লিষ্ট রাস্তাগুলোতে প্রয়োজনে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সূচির বাইরে অন্য যানবাহনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করতে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।